Wednesday, August 19, 2020

চোর

 


পরের বাড়ির আম-জাম চোর

হাস, মুরগী, লিচু, এচড়;

দিন যত যায় এমনি করে

হাতের কেরামতি বাড়ে।

ছোট্ট চোর আজ মস্ত চোরা

এখন চড়ে গাড়ি ঘোড়া।

Monday, August 17, 2020

সত্য কথা




 















শোনেন,

আমি আগের মত ইদানিং আর

 সত্য কথা কই না।
কওয়ার আগে, অনেক ভাবি;
ফাও রিস্ক আর লই না।
 
এই যে ধরেন কেউ জিগাইলো
কেমন আছেন ভাই”?
আমি অনেক কিছু ভাবি;
কি বলিলে ভালো হয়
আর কোনটাতে রিস্ক নাই?
 
ভালো কিংবা খারাপ আছি,
আনন্দে বা দুঃখে আছি,
কি বললে সে খুশি?
সে যেটা চায়, সেটাই বলি,
সত্যি, মনে পুশি।
 
এমনি করেই সত্যিটাও
মরে মনের মাঝে
রোবট হয়ে বেড়াই ঘুরে
সকাল সন্ধ্য সাঁঝে।

Sunday, March 29, 2020

মানষিকতা


মাদারচোৎ এর দেশে
কেউবা সাজেন জনসেবক কেউ অফিসার বেশে,
কেউবা সেজে ব্যাবসায়ী আর কেউবা সেজে আমলা
স্বদেশ মাতার গাড় মেরে যান, ভরেন নিজের গামলা।
কারে কি যে বলি?
আমিও কি আর সুযোগ পেলে, এমনি সোজা চলি?



করোনা ভাইরাস




এ যুদ্ধ নয় মুক্তিযুদ্ধ
এ, পালিয়ে থাকা।
এ যুদ্ধতে একটাই কাজ
নিজেকে সেফ রাখা।

নিজে বাঁচলে আছেন পিতা
এটাই মুল মন্ত্র
নিজে বিকল মানেই হল
বিকল রাষ্ট্রযন্ত্র।

নিজকে ভালোবাসার মাঝেই
আছে সবার হিত
গলায় গলা খাতির মানেই
হিতে বিপরীত।

দুরে থেকেই ভালবাসা
প্রানের কাছাকাছি
ঘরে থাকি দুরে থাকি
সবাই মিলে বাঁচি।

Tuesday, January 7, 2020

প্রভুভক্তি




স্বাধীন দেশে বাস করি, তাই
বললে তো রাগ হবা।
অধীনতা? মজবুরি নয়
রোগ এটারে কবা।
এ রোগ যাদের, পুরান রোগী
লেজ পটপট নড়ে।
বাপের চেয়ে মনিব বড়
প্রথম এ পাঠ পরে।
কুকুর এদের আদর্শ, তাই
কুকুর সবার সেরা।
প্রভু-ভক্তি? কুকুর প্রথম
আর দ্বিতীয় এরা।
প্রভু যাহা করেন তাহা
হোক ভাল বা অন্যায়;
সব কিছুই ভেসে যাবে
প্রভু ভক্তির বন্যায়।
জি স্যার কিংবা জি ভাই
এইটা এদের মন্ত্র।
এদের বিবেক? কি কও?
এরা পুরা পুরি যন্ত্র।
শ্রষ্টা এদের মানুষ করে
তাই করেছেন ভুল।
কুকুর এদের মুল অরিজিন
কুত্তাপনাই মূল।

Monday, January 6, 2020

মাননীয়

এক আছিল কনষ্টেবল
তার বহু নাম ডাক!
হাত পাতে সে সকল সময় 
পাইলে চিপা, ফাঁক।
হাত পাতে সে রাস্তা, বাজার, 
ফুটপাতে, দোকানে
হোক ভিখারী, রিক্সাচালক, 
সব ধরা এইখানে।
ছিচকে স্বভাব? হোক, তাতে কি? 
খুব উচু নাক তার।
মাইন্ড করে খুব, কেউ যদি না 
ডাকে তারে স্যার!

Tuesday, December 17, 2019

টয়লেট


চনা এসে কয় ওরে কনা ভাই দেখ আমি নিকৃষ্ট  অতি
আসিয়াছি মুত্রের থলি হতে, টয়লেটে হইয়াছে গতি
কনা কয় বুলাইয়া পিঠে হাত, কেন কর মিছে-মিছি দুখ
রহিয়াছি উৎকৃষ্ট এই আমি, আমাতে উজ্জল তব মুখ।
মোর সাথে মিত্রতা, তব মুখ উজ্জল করিবে এ বিশ্বে
আমি গুরু তুমি রবে সাথে মোর, রইবো যুগল গুরু-শিষ্যে
সেই থেকে চনা করে কষ্ট যা, কনা শুধু আনন্দে মেতে রয় 
চনা রাধে, চনা করে সব কাজ, কনা তার ক্রেডিট টা নিজে লয়।
দিনে দিনে দিন মাস বয়ে যায়, বছর ঘুরিয়া যায় যুগ তো
চনা ভাবে তোষামোদী কতো আর? কবে এই দাস হবে মুক্ত?
খাটাইয়া নিজ মাথা বহুদিন চনা বসে বসে ভাবে  এ’মনে?
আসিয়াছি আমি এই টয়লেটে, ওই শালা হেথা এলো কেমনে?
খুলিয়াছে মাথা বহুদিন পরে, আবার না যায় সব গুলিয়ে
কোন চান্স যদি আমি ফেরদেই, ওই শালা দেবে সব ভুলিয়ে।
যেই ভাবা সেই কাজ তুরন্ত, গিয়ে হাক দিয়ে ডাকে কনা ভাই
গেলি কোথা কাছে আয় আমি আজ এই প্রশ্নেরউত্তর চাই।
 সরাসরি প্রশ্নটা কনাকেই, তুই কিসে কনা হলি বলতো
গায়ে তোর গন্ধটা চেনা চেনা! নস তুই হেগে যাওয়া মলতো?
কনা ভাবে গেল সব হায় হায়, আর তো গেলনা বুঝি লুকোনো
অনেক ভাবিয়া কনা বুঝিলো এবার, এভাবে যাবেনা আর ঠকানো।
আজ থাক এভাবেই, অন্যভাবে পরের চিন্তা হবে পরে
ভুলতে কদিন আর লাগবে চনার? তারপর হাতদুটো ধরে,  
শেষে বলে তুমি আমি আমরা, রবো মিলে এক সাথে ভাই ভাই,
সমানে সামান মোরা এখানে মোদের, এই টয়লেট ছাড়া গতি নাই।।