Thursday, September 5, 2019

ভাইরাল


ভাইরাল কি যে সে জিনিস? সব কপালে মেলে?
সেই নেশাতেই আমরা সবাই যাই ডিউটি ভুলে।

কেমন হবে রোজই মেয়র রাস্তা ঝাটান যদি
রাস্তা সারার লোক যদি সব কাটেন গিয়ে নদী
পুলিশ যদি ডিউটি রেখে অনাথ খাওয়ান রোজ
ছাত্র করেন পড়া রেখে শুধুই ছবির খোঁজ?
আমলারা সব চেয়ার ছেড়ে ধর্মেতে দেন মন
ঘুষখোরেরা ঘুষ না ছেড়ে রোজই বিলান ধন?

চাকরী যা তার, যার তরে সে বেতন তোলেন মাসে
সে কাজ করেন অন্যজনে হাজার লাইকের আশে

উঠবে ছবি পোষ্ট হলেই দেখবে হাজার লোকে
এই বাঙ্গালী তাতেই খুশী ঘিলু তাদের চোখে।
অবলিগেশন, ডিউটি ভুলে চ্যারেটিতেই মাতো
এমনি করেই হুজুগেবাঙ্গাল মানুষ হলিনাতে!!

Tuesday, August 6, 2019

লেডিস এডিস



গায়ে কালো তার, ছোঁপ ছোঁপ দাগ রহিয়াছে সাদা রঙে
আছে ছোট-বড়, শুকনো বা মোটা, চলে তারা নানা ঢঙে
জন্মাইত তার লাগেনাকো মোটে, পুকুর কিংবা নালা
বোতলে বা টবে কিংবা মগেই পানি যদি থাকে ঢালা
বাগানে কিংবা বেলকুনিতে ও বাথরুমে পাকঘরে 
ফ্রিজের ট্রেতে, গেরেজে, অথবা পাশের গোয়াল ঘরে
কিছুটা অল্প পড়ে যদি থাকে স্বচ্ছ ‍ও নির্মল
প্রবলেম নাই; যাই তুমি বল; পানি বা সে হোক জল।
দিন দুই গেলে, সাবালক হলে, ঠিকঠাক সবে মিলে 
খালি ঠ্যাং আর হাতে বসে যাবে আস্ত মানুষ পেলে
গাল কান ঘাড় টার্গেট সব, শরীর পাইলে খোলা
ভুড়ি আর পিঠে বসাবে কামড়, হও যে মেয়ার পোলা!
চামে ও চিকনে দেয়া নেয়া হবে, রক্ত এবং রোগ
তাহার পরে বুঝিবে বাজান, কেমন তাহার ভোগ।
বাড়িছে তাহারা দিন যত যায়, মানুষের পাশাপাশি
তাহাদের পন কমাইতে হবে মানুষের ঠাসা ঠাসি।
মর্তে তাহারা বাঙ্গালীর চেয়ে, সাহসের সাথে চলে
এক চড়ে শেষ; তবু না পালিয়ে, বিজয়ের কথা বলে।
যত অনাচার হয়েছে, বাঙ্গালী সহিয়াছে ভয়ে ভয়ে
ছাল যা উঠুক সম্মানটুক থাকুক এ আশা লয়ে।
এসেছে তাহারা ঠুনকো শান্তি তুড়িতে উড়িয়ে দিতে
সবার প্রশ্ন কে এলো জ্বালাতে? তোষামুদে ধরনীতে?
তাহারা বলিল আমরা সে জাতি নাম আমাদের এডিস
নিরীহ ও আছে, হিংস্র তখনই; যখনই আমরা লেডিস।

Saturday, July 27, 2019

গু জব!



সবাই বলে খুব সাবধান!
কান দিওনা গুজবে
সত্যি, নাকি গুজব? আমি
বুঝবো সেটা কিভাবে?

সবাই যখন বলে, তখন
সত্যি করেই বলছে ভাই।
সত্যি মিথ্যে বোঝার আগে
প্রান বাঁচানো ফজর। তাই!
ছুটছি ভয়ে এদিক সেদিক
পালিয়ে বাঁচার নাম করে।
নিজে বেঁচে থাকলে সবাই,
বাবার নামটি নেয় পরে।

মিথ্যেবাদীর মিথ্যাচারের
ভূক্তভোগী জনগন।
রাজনীতি আর ব্যবসাতে
পকেট ফোলায় সেই কুজন !

Wednesday, July 24, 2019

অসাম্প্রদায়িক চেতনায় দুর্নীতি


যেমনি আছেন ইসরাত জাহান 
তেমনি আছেন রায়
ধর্মে-লিঙ্গে তফাত হলেও 
একই খাবার খায়।



মহাত্মা অদ্বৈত কুমার রায় (ঢাকা শিক্ষাবোর্ড) এবং ইসরাত জাহান (সাব রেজিষ্টার,আটঘরিয়া, পাবনা) স্মরন।

Wednesday, July 3, 2019

দুর্নীতি, পাপ এবং পাপী


যোগ্যতা আজ মাপার মাপার কি বাহার!
অফিস আদালতে করেন কেমন ব্যবহার?
কেমন করে টাকা মারেন, রাখেন কোথায় ভরে?
পাবলিক এলে ম্যনেজ করেন তিনি কেমন করে?
ধর্মালয়ে কেমন করে খরচ করেন কত?
দায়িত্ব যা পালন করেন; করে নিজের মত।
বেতন যা পান সবই জমে, রোজ চলে কি দিয়ে?
ডিউটি যা; সেটার সবই করেন উপরি নিয়ে।
কাজটা করেন বড় চোরের, কিন্ত নাকটা উচু!
সকলকেই ভাবেন তিনি চোরের মত নিচু।
মানুষ মাপেন টাকা দিয়ে, যোগ্যতাও টাকা।
তাহার কাছে টাকা ছাড়া এই দুনিয়া ফাঁকা।
এমন টাকার উপাসনায় আছে যারা রত
সোনার বাংলা ধ্বংশ যে আজ করছে ঘুনের মত।

ওদের কি দোষ? আমরাওতো টাকার পিছেই ধাই
টাকা আছে যার পকেটে তিনি মিয়া ভাই।
পাপকে মোরা ঘৃনা করি! পাপী? তাকে নয়
পাপীর পকেট টাকায় ভরা। ঘৃনা? তাকি হয়?
কত বড় মানুষ তিনি, সবাই তাকে জানে।
আইন, প্রশাসন, জনতারা তাকেই বড় মানে।
আমরাওতো স্কুল কলেজে এটাই শিখে বড়
পাপীকে নয়, সবাই তোমরা পাপ কে ঘৃনা কর।
কোন শালা যে এই প্রবচন খাতায় গেল লিখে
সব বাঙ্গালী মানলো এবং গেল এটা শিখে।

চিরন্তন সত্য যে নয় এই কথাটার মানে
পাপ-পুন্য অলীক বস্তু খুজিবে কোনখানে?
পাপ-পুন্যের মুল্য কিবা? কেউ যদি না করে
পাপের শাস্তি জেন সবই যাবে পাপীর ঘরে।
পুনর্বিবেচনার জন্য ভাবো আর একবার
সব প্রবচন দাবী করে যৌক্তিক ব্যাখ্যার।
বলি শোন এমনটাই উচিত ছিল হওয়া,
আজ থেকেই শুরু করি এমন করে কওয়া

পাপ কাজ ত্যাগ করো; পাপীকে ঘৃনা করো।”

Thursday, June 27, 2019

লাশ পড়েছে


এলো এলো রব আজ আকাশে বাতাসে
টাকার গন্ধ ঐ বাতাসেতে ভাসে
হাউ মাউ খাউ করে রাক্ষস সব
আনন্দে লালা ঝড়ে, চাঁপা কলরব
লাশ পড়ে গেছে ঐ রাস্তার ধারে
বীর বাঙ্গালীরা দেখে দাড়িয়ে ওপাড়ে
কি করিয়া বীর জাতি হইল যে খাসি
আজ তাহা দুরে থাক, প্রসঙ্গে আসি।
মুদ্রার সুমধুর ঠুং ঠাং সুরে
বিমোহিত রাক্ষস ঘোরে চারিধারে।
মামলায় শুরু হবে শাস্তিতে শেষ,
কতভাবে টাকা যাবে নেই তার লেশ।
ধরবে কি ধরবেনা, ধরে কি পিটাবে?
জেলে নাকি মেডিকেলে? কোথায় ঘুমাবে? কতজন ধরা হবে, কত হবে ছাড়া কতজন মা হবেন সন্তান হারা?
রিমান্ডে বাঁশ ডলা, হালকা না ভারি
হাজত; নরক বাস? নাকি হবে বাড়ি?
বাড়ির খাবার? নাকি হোটেলের যাবে
চার্জ সিট নাকি কেস ফাইনাল হবে
তদন্তে কি বেরুবে, হবে কি রিপোর্ট
সাক্ষি হাজির নাকি, মুলতুবি কোর্ট
বিচার আচার? থাক সেটা নাই বলি
রাত বিরাতে তো পথে একা একা চলি
তার ওপর ভয় আছে অবমাননার
মানুষ মরুক, এসে-যায় কি আমার?
এত এত আয়োজন যার তরে হল
ধন্যি মায়ের ছেলে, সে কি দোষী বল?
ছেড়ে দিলে সেই ছেলে হয়তো আবার
বসাবে টাকার এই মেলা বার বার।
ঘুষ দুর্নিতি? দুরঃ এই আসল কাজ
টাকাতেই সব হয় এই দেশে আজ।
নীতি নৈতিকতারা দরজার ওপাশে
অর্থ ও বিবেকের ঘৃন্য আপোষে।

Wednesday, June 26, 2019

ভেজাল বানিজ্য

সোনার দেশে 
ভেজাল মানেই বানিজ্যতে ভরা
দুটোই কামাই, 
ভেজাল দেয়া এবং ভেজাল ধরা।

টুপাইস কামায় ওরা ওরা 
আম জনতা দেখে
মনে দুঃখ ঘুচাতে 
এই ফেইজবুকেতেই লেখে।